1. mrafiquealien@gmail.com : etveuro :
  2. mahbubr252@gmail.com : Mahbub :
September 14, 2026, 4:56 am

জগন্নাথপুরে গৃহস্থালির মালামাল চুরির ঘটনায় ২ পেশাদার চোর গ্রেপ্তার, চোরাই টিভি উদ্ধার

Reporter Name
  • আপডেট সময়: Sunday, June 7, 2026
  • 143 টাইম ভিউ

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এক সফল অভিযান চালিয়ে একটি বসতবাড়ি থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারসহ দুই পেশাদার চোরকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল (০৫ জুন ২০২৬) রাতে থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার ও চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি — জগন্নাথপুর থানাধীন ৬নং রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীনগর (নয়াপাড়া) গ্রামের মোঃ কাছা মিয়ার ছেলে মোঃ মিঠু মিয়া (২৪) এবং একই এলাকার বর্তমান বাসিন্দা আছাব মিয়ার ছেলে মোঃ ছামির মিয়া প্রকাশ সাব্বির মিয়া (১৯)

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে ২০২৬ তারিখে রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ পারভিন বেগম তার সন্তানদের নিয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে যান। এই সুযোগে ওই দিন রাত ৯:০০ টা থেকে পরদিন ১৯ মে সকাল ১০:০০ টার মধ্যবর্তী যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা চোরেরা তার টিনের ঘরের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

চোরচক্র ঘরের শয়নকক্ষে থাকা ওয়ারড্রব ও ড্রেসিং টেবিলের তালা ভেঙে নিচে উল্লেখিত মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়:

১ জোড়া স্বর্ণের চুড়ি (ওজন: আধা ভরি, ৬ ভরি ওজনের রূপা,একটি ৩২ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি, একটি বাটন মোবাইল সেট।

 

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পারভিন বেগমের মা ঘরের দরজা-জানালা ভাঙা দেখে তাকে খবর দিলে তিনি এসে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

 

মামলা দায়েরের পর জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে নামে। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গত ০৫ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ০২:৩০ ঘটিকায় রানীনগর নয়াপাড়া এলাকা থেকে সন্দিগ্ধ আসামি মিঠু ও সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে (০৫ জুন) ভোর ০৩:৩০ ঘটিকায় ৯নং পাইলগাঁও ইউনিয়নের বাগময়না তাজপুর গ্রামের সেবুল মিয়ার স্ত্রী শিলা বেগম (৩৫)-এর বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চুরিকৃত ৩২ ইঞ্চি ওয়ালটন স্মার্ট টিভিটি (মডেল নং- W32GT1CS, স্টিকার যুক্ত) স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে উদ্ধার করে জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 

জগন্নাথপুর থানা পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা এই চুরির ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

 

পুলিশ আরও জানায়:”গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা মূলত পেশাদার চোর প্রকৃতির লোক। তারা একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে থানা এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় চুরি-ছিনতাই করে আসছিল। এলাকার একাধিক চুরির ঘটনার সাথেও এদের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।”

 

আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 ETV Euro
Theme Customization BY TVSite.Com