1. mrafiquealien@gmail.com : etveuro :
  2. mahbubr252@gmail.com : Mahbub :
July 30, 2026, 5:58 pm

বিস্ফোরক মামলায় কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান নবাব গ্রেফতার

Reporter Name
  • আপডেট সময়: Sunday, December 28, 2025
  • 257 টাইম ভিউ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর জেলা জুড়ে বিস্ফোরক ও নাশকতার নেতৃত্বদাতা কৃষক লীগ নেতা নবাব গ্রেফতার! চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় নাশকতার অভিযোগে বিস্ফোরক মামলার আসামি ও কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান নবাবকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে! গত ১৮ ডিসেম্বর সদর মডেল থানাধীন পিটিআই মোড় এলাকায় পেট্রোল পাম্পের পাশে রাস্তার ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একাধিক মামলার আসামি ও মাদক সংশ্লিষ্টতা অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত নবাবের বিরুদ্ধে কেবল বিস্ফোরক মামলাই নয়, বরং মাদক চোরাচালান ও সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি এলাকায় একজন চিহ্নিত মাদকাসক্ত এবং মাদক সিন্ডিকেটের সাথে তার দীর্ঘদিনের যোগসূত্র রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে পরিচিতি অভিযোগ রয়েছে,গত ১৫ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নবাব এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। কৃষক লীগের পদ ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতেন। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান চলাকালীন আন্দোলনকারীদের দমনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক দপ্তরে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে জানতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম জানান,গ্রেফতারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অন্যান্য সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়,নবাবের এই সিন্ডিকেট দেশজুড়ে বিস্তৃত। তার প্রধান টার্গেট মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত তরুণ সমাজ। এশিয়া ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তিনি বিছিয়ে রেখেছেন দালালের নেটওয়ার্ক। প্রথমে ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন।ধাপে ধাপে ভিসা প্রসেসিংয়ের নামে হাতিয়ে নেওয়া হয় ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা। আর এই টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও বিদেশ যাত্রা আর হয় না। শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন তারা একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্রের হাতে পড়েছেন। তাই এই ঢাকায় রাজকীয় ‘টর্চার ও ডিল’ সেল অবৈধ পথে উপার্জিত কালো টাকা দিয়ে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নবাব গড়ে তুলেছেন রাজকীয় অফিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, এই অফিসটি মূলত দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের প্রধান কেন্দ্র। বাইরে থেকে চাকচিক্যময় মনে হলেও ভেতরে চলে প্রতারণার ব্লু-প্রিন্ট। কোনো ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে তাকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একজন রাজনৈতিক নেতার আড়ালে এমন ভয়ংকর আদম ব্যবসায়ীর উত্থান জনমনে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। দ্রুত এই প্রতারক সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে আব্দুর রহমান নবাবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 ETV Euro
Theme Customization BY TVSite.Com