
নিজস্ব প্রতিবেদক | জগন্নাথপুর |
আসন্ন ২নং পাটলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আমেজ জমজমাট হয়ে উঠেছে। ইউনিয়নজুড়ে নানা দলের ও মতের প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। তবে সাধারণ মানুষ ও জেন জি জেনারেশনের মুখে মুখে এখন সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে আবুল চৌধুরীর নাম।
ইউনিয়নবাসী তাঁকে এবার আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবুল হাসান চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে পাটলী ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক, জনকল্যাণমূলক কাজ সহ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত।
বিশেষ করে করোনার সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ,শীতবস্ত্র বিতরণ, বিভিন্ন আর্থিক অনুদান এবং ২০২২ সালের বন্যাকালীন ত্রান সামগ্রী বিতরণ সহ বিভিন্ন মানবিক কাজ জনসাধারণের মনে দাগ কেটেছে।
তাঁর এই নিঃস্বার্থ সমাজসেবা ও সমাজের প্রতি দ্বায়িত্বশীল চিন্তাধারার কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে নিজেদের যোগ্য ব্যাক্তি মনে করছেন।
তাছাড়া ২নং পাটলী ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য তরুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা পুরণে আবুল হাসান চৌধুরী এই ক্ষেত্রে এগিয়ে। বিশেষ করে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ এবং কর্মসংস্থান সহ বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজ নেতৃত্বের এই মহান দ্বায়িত্ব আবুল হাসান চৌধুরী’র হাতে দিতে চায়।
তরুণ ভোটারদের মধ্যে আবুল হাসান চৌধুরীকে নিয়ে রয়েছে প্রবল উচ্ছ্বাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ হাসান বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি আমাদের সমস্যা বুঝবেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়নে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবেন। আবুল হাসান চৌধুরী সেই যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।”
আবুল হাসান চৌধুরী ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত অমায়িক ও নম্রভাষী হিসেবে পরিচিত। তিনি জনসাধারণের এই প্রত্যাশাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত আছি। মানুষের জন্য কিছু করার সুযোগ পাওয়াটাই আমার কাছে বড় পাওয়া। যদি পাটলী ইউনিয়নের জনগণ আমাকে সুযোগ দেন, তবে আমি এই ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।”
২নং পাটলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসন্ন হলেও এখনো নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলে আবুল হাসান চৌধুরী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন— এমনটিই ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a Reply